ঢাকাবাসীকে ধন্যবাদ জানালেন: প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক,সিটি করোপরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দুই মেয়র প্রার্থী বিজয়ী হওয়ায় ঢাকাবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি ঢাকাবাসীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ, অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানাই। ভোটাররা নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আমাদের উত্তর ও দক্ষিণের মেয়র প্রার্থীকে জয়যুক্ত করেছেন।’

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন অব বাংলাদেশের (আইডিইবি) ২৩তম জাতীয় সম্মেলন ও আন্তর্জাতিক সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

‘স্কিল রেডিনেস ফর অ্যাচিভিং এসডিজিএস আইআর ৪ দশমিক শূন্য’ শীর্ষক এই সেমিনার আয়োজনে সহায়তা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। অন্যদের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, আইডিইবির সভাপতি একেএমএ হামিদ, সাধারণ সম্পাদক শামসুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মুজিবর্ষে যত কর্মসূচি নেয়া হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বড় কর্মসূচি সারাদেশের পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষার জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ। এ লক্ষ্যে ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণ ও জলাধারসহ সবকিছু যেন সংরক্ষণ হয় সেদিকে বিশেষভাবে নজর রাখতে হবে।

দেশের উন্নয়নে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারাদের অনেক দাবি-দাওয়া রয়েছে; আমি জানি। আপনাদের ইনক্রিমেন্টসহ বিভিন্ন দাবির বিষয়টি অনুমোদন করে দিলেও অর্থ মন্ত্রণালয়ে গিয়ে আটকে যায়। এই আটকা পড়ার বিষয়টা যদি আরও আগে আমার সামনে আনতেন তাহলে হয়তো ভালো হতো। এটা শুনে সত্যেই আমার খারাপ লাগল। আমি কথা দিলাম আর সেটা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি। আপনাদেরও দোষ আছে। এটা সময় মতো উদ্যোগ নেয়া উচিত ছিল। বিশেষ করে বাজেট প্রণয়ন যখন হয়, তার আগেই এ বিষয়টা সামনে আনা যেত। তখন এটা যেভাবেই হোক ব্যবস্থা নেওয়া যেত’।

ডিপ্লামা প্রকৌশলীদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের বছরের যে কর্মসূচি নিয়েছি, এর মধ্যে সবচেয়ে বড় কর্মসূচি সারাদেশের পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষার জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ। ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণ ও জলাধারসহ সবকিছু যেন সংরক্ষণ হয়, সেই দিকটা আপনাদের একটু বিশেষভাবে দেখতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না। প্রতিটি মানুষ ঘর পাবে। জাতির পিতাই শুরু করেছিলেন, সেই গুচ্ছগ্রাম দিয়ে তার যাত্রা শুরু। তার সাথে সামঞ্জস্য রেখে আমরা আদর্শ গ্রাম, আশ্রয়ণ, গৃহায়ণ বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষকে ঘরবাড়ি দিয়ে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য, মুজিববর্ষে বাংলাদেশের প্রতিটি গৃহহীন মানুষ অন্তত বসবাসের মতো ঘর পাবে। সেটা আমরা নিশ্চিত করব।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমাদের একটা চ্যালেঞ্জ ছিল পদ্মা সেতু নিয়ে। আমি বলেছিলাম, আমরা নিজেদের অর্থে পদ্মা সেতু নির্মাণ করব। আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করছি। এই একটা সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সারাবিশ্বে পরিবর্তন এনে দিয়েছে। আমরা ইচ্ছা করলে পারি। পারব না কেন? আমরা মুক্তিযুদ্ধ করে বিজয় অর্জন করেছি। বিজয়ী জাতি।