কোটালীপাড়া সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বানোয়াট অভিযোগের প্রতিবাদ ।

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার আমতলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সংখ্যা লঘু পরিবারের জায়গা দখলোর অভিযোগ সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেন অভিযুক্ত চেয়ারম্যান রেয়াজুল ইসলাম তালুকদার ।

তিনি বলেন, আমি একজন প্রক্তন শিক্ষক, স্বাধীনতার যুদ্ধে আমি নিজের জীবন বাজি রেখে দেশকে স্বাধীন করেছি আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা । আমি আমতলী ইউনিয়নের ৩ বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান । সম্পতি কোটালীপাড়া সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু পরিবারের জায়গা দখলের অভিযোগ শিরোনামে কিছু প্রিন্ট ও অনলাইন প্রত্রিকায় একটি নিউজ হয় সেই নিউজে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট । আমি এর তীর্ব নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই ।

তিনি তার লিখিত অভিযোগে জানান, রিয়াজুল ইসলাম তালুকদার তার স্ত্রী ও আপন ভাই-বোন ৮/৩/১৯৮৬ তারিখের এস,আর কোটালীপাড়া অফিসের ১৬১৮ নং দলিলে ৮/৩/১৯৮৬ তারিখের ১৫৯২ নং দলিল মুলে ৫/১১/১৯৭৭ তারিখের এস,আর আফিস ফরিদপুর ৮৯৯৭ নং দলিল মুলে ওই একই তারিখের একই অফিসের ৮৯৯৬ নং দলিল মুলে এবং এস,আর কোটালীপাড়া অফিসের ১০/২/১৯৭৮ তারিখের ৯৯৮নং দলিলমুলে নিন্মেও তফসিল বর্ণিত সম্পত্তি উপরের উল্লেখিত দলিলের বুনিয়াদে ভোগদখলে ১৯৭৭ সন হইতে অদ্যবদি ভোগ দখলে আছেন । প্রতিপক্ষ কোন দিনও রিয়াজুল ইসলাম তালুকদার গংদের দখল কৃত জায়গায় কোনো দিন দখলে আসেন নাই। অদ্য হইতে ৪৩ বছর রিয়াজুল ইসলাম তালুকদার ভোগ দখলে আছেন। প্রতিপক্ষ রতন কুমার আচার্য এর পিতা. মনিমোহন আচার্য সত্য গোপন করিয়া ভূমিহীন দেখাইয়া ২৭/৪/১৯৭৯ তারিখের ২৬৪১ নং একখানা কবলিয়াত সরকারের নিকট হইতে ভূমিহীন দেখাইয়া কবলিয়াত হাছিল করিয়াছেন ওই কবলিয়াতের এক বছর আছে কোটালীপাড়া এস,আর অফিসের ৯/১/১৯৭৮ তারিখের ওই রতাল মৌজায় ১৮১ নং দলিল মুলে ১-০৪ এক একর চার শতাংশ মালিক হন তবে সে কিভাবে ভূমি হিন হন, ৬৭ নং রতাল মৌজা আর এস ও এস এ দাগ ২০৬, ২২৯, ২৩০, ২০৬ ।