শুক্রবার বন্ধ বাণিজ্য মেলা

নিজস্ব প্রতিবেদক,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর কাউন্টডাউন শুরুর দিন আগামী ১০ জানুয়ারি (শুক্রবার)। ওইদিন ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা বন্ধ থাকবে।

মেলার আয়োজক ও ইজারাদার প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন

মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) উপ-পরিচালক এবং মেলার সদস্য সচিব আব্দুর রউফ জাগো নিউজকে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর কাউন্টডাউন শুরুর দিন আগামী ১০ জানুয়ারি শুক্রবার ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ওইদিন বাণিজ্য মেলা বন্ধ থাকবে।

মেলার ইজারা পাওয়া প্রতিষ্ঠান মীর ব্রাদার্সের মালিক মীর শহিদুল বলেন, ১০ জানুয়ারি বাণিজ্য মেলা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এতে আমাদের লোকসান হবে। কারণ ওই দিন শুক্রবার। আর শুক্রবারে বাণিজ্য মেলায় লোক সব থেকে বেশি থাকে।

তিনি আরও বলেন, এবার বাণিজ্য মেলায় দর্শনার্থীর সংখ্যা বেশ কম। প্রতিদিন গড়ে ৪-৫ হাজার দর্শনার্থী আসছেন। এতে এবার ইজারা নিয়ে আমরা লোকসানের মুখে পড়তে যাচ্ছি।

এর আগে শেরেবাংলা নগরে শুরু হওয়া মাসব্যাপী বাণিজ্য মেলা ১০ জানুয়ারি বন্ধ রাখতে অনুরোধ জানিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

মেলা শুরুর দিন সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সুপারিশের আলোকে গঠিত নিরাপত্তা উপ-কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেছিলেন মন্ত্রী।

সভায় উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১২ সিটি কর্পোরেশনের ২৮টি পয়েন্টে, বিভাগীয় শহরগুলোতে, ৫৩ জেলা ও দুই উপজেলা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ৮৩টি পয়েন্টে কাউন্টডাউন ঘড়ি বসানো হবে। এসব স্থানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে। অনুষ্ঠান যাতে বিভিন্ন স্থান থেকে জনসাধারণ দেখতে পায়, সেজন্য টিভিস্ক্রিন বসানো হবে।

তিনি বলেন, কাউন্টডাউন উদ্বোধনের দিন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে সেনাবাহিনী, তাদের সহযোগিতা করবে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। স্থানীয় জনগণ, জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদসহ প্রশাসন ও নিরাপত্তাকর্মীরা বিষয়টি দেখাশোনা করবেন। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে।