1. admin@tungiparanews.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক
  2. akjoy20@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ০৩:১৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শাহাবুদ্দিন সবুজের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনায় কোরআন খতম ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে মাদারগঞ্জ আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা কুমিল্লায় পবিত্র কোরআন শরীফের অবমাননার অভিযোগে টুঙ্গিপাড়ায় প্রতিবাদ সমাবেশ আসন্ন ইউপি নির্বাচনে অর্থ বানিজ্যের অভিযোগে জেলা আ’লীগের সম্পাদকের বিরুদ্ধে সংসদ সদস্যের সংবাদ সম্মেলন কালিয়ায় নদী ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষার দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন কাশিয়ানীতে খ্রিস্টিয়ান চার্চ অব গড এর দেশের শান্তি ও শুভকামনায় প্রার্থনা সভা.. ১০ নং ওয়ার্ড হবে মডেল ওয়ার্ড – আনোয়ারুল হক বনি গোহালা ইউপি নির্বাচন : চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহাদাত হোসেন লিটনের পথসভা শুকতাইল ইউপি নির্বাচন : সম্ভাব্য প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক মোল্লার পথসভা কোটালীপাড়ায় “বাংলাদেশের খবর” পত্রিকার বর্ষপূর্তি পালিত

সন্তানের ভালোবাসায় নিপাত যাক ‘বৃদ্ধাশ্রম’

Reporter Name
  • আপডেট : সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১

 

এম আরমান খান জয়,সমাজকর্মী : বৃদ্ধাশ্রম কথাটা শুনলেই আমার প্রচন্ড কষ্ট হয়। কষ্ট হয় সেই সব সমাজ বা ব্যক্তিদের উপর, যারা বৃদ্ধাশ্রম নামে একটি আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছেন। আর সেই বৃদ্ধাশ্রম টি পূর্ণ করার জন্য বাবা-মায়ের আদরের ছেলের বৌদেরকে দায়ী করা হয়। ছেলেরা থাকে ধরাছোঁয়ার বাহিরে। কিছু বিলাসিতা করার জন্য সন্তানেরা তাদের বৃদ্ধ অসহায় বাবা-মা’কে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসার দুর্বোধ্য চিন্তাভাবনা আমাকে পীড়া দেয়। কোন ছেলে যদি না চায় বৌ এর কোন সাধ্য নেই বাবা-মাকে বৃদ্ধাশ্রম বা অন্য কোথাও পাঠায়। সে ক্ষেত্রে বাবা মাকেও ছেলের সংসারে মানিয়ে চলার মানসিকতাও রাখার দরকার। যদিও এই মন মানসিকতা আমাদের মাঝে খুব কমই পরিলক্ষিত হয়।

 

বাবা-মা ভাবেন ছেলের সংসার মানেই নিজের সংসার, তাই বিশেষ করে শাশুড়িরাই বৌদের উপর কর্তৃত্ব ফলাতে গিয়েই যত বিপত্তি। শুরু হয় বৌ-শাশুড়ির ক্ষমতার প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় অবশেষে হার হয় দাপটি শাশুড়ির। বিধিমতে তাই হওয়ার কথা। বেচারা শশুর-শাশুড়ির কর্মফল ভোগ করেন। বৃদ্ধাশ্রম শব্দটি শুনতে শুনতেই আমাদের ছেলে-মেয়েরা বড় হতে থাকে। একসময় তাদের মাথায় সেটি গেঁথেও যায়। তাই বড় হয়ে বিয়ে করে হাবাগোবা বাবা-মা’দের তাড়ানোর জন্য নানান ফিকির ফন্দি করে। একসময় হয়তো কৃতকার্যও হয়। হয়তো সেই দুর্বুদ্ধিটাই শানিত তলোয়ারের রূপ ধারণ করে।

 

আমাদের দেশে বিশেষ করে আমার কোন নিকট আত্মীয় বা পর আত্মীয় বা পরিচিত কাউকেই বৃদ্ধাশ্রমে যেতে শুনিনি। শোনা যায় বেশিরভাগ পরিবারই নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত পরিবারের লোকজন বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রয় নিয়ে থাকে। অথচ এই বৃদ্ধাশ্রমটি হওয়া উচিত ছিল গ্রামের অসহায় গরীব দুঃখী বাবা- মাদের জন্য। যাদের কোন উপযুক্ত সন্তান নেই বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ভরন পোষণ করতে পারে না অথবা ছেলেরা এতই দরিদ্র যে তার অর্জিত আয়ে ছেলে- মেয়েদের ভরনপোষণ করতে সক্ষম নয় তাদের জন্য যদি বৃদ্ধাশ্রমটি হতো খুব ভাল লাগতো। তারপরও বলব এ দেশে বৃদ্ধাশ্রম তৈরী না করে সু সন্তান তৈরী করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলে ভাল হতো। গ্রামের সহজ সরল মানুষগুলোর জন্য সরকারের পক্ষ থেকে দু’বেলা খাওয়ার নিমিত্তে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করলেই বৃদ্ধাশ্রমের মত ভ’তটি এ দেশ থেকে দূর হয়ে যেতো। তাহলে আর কোন মায়ের সন্তানেরা তার বৃদ্ধ বাবা- মাকে কোথাও রেখে আসবে এমন দুর্বুদ্ধি মাথায় আর কখনোই আনতোনা। তখন সুখে শান্তিতে বৃদ্ধ বাবা মায়েরা তাদের নাতি,নাতনি নিয়ে দিনাতিপাত করবে এটাই আমার বিশ্বাস।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর