গোপালগঞ্জগোপালগঞ্জ সদরঢাকা বিভাগবাংলাদেশরাজনীতি

টুটুল চৌধুরীকে পুনরায় ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় ইউনিয়নবাসী

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরা ইউপি চেয়ারম্যান গরীব মানুষের আস্থাভাজন ব্যক্তি সফিকুর রহমান চৌধুরী টুটুলকে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় ইউনিয়নবাসী।

প্রতিটি এলাকায় মহামারী করোনা মোকাবেলায় তিনি নিজস্ব অর্থায়নে ব্যাপক সাহায্য সহযোগিতা করেছেন।
দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে জনগণের দ্বারে দ্বারে গিয়ে বিভিন্নভাবে সহযোগীতার হাত প্রসারিত করে মানবতার ফেরীওয়ালা হিসেবে সুপরিচিত হয়েছেন তিনি। এমনকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাস্তা-ঘাটসহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নে তার অবদানের কমতি নেই। তিনি মার্জিত, ভদ্র স্বভাবী, সদালাপি হওয়ায় আসন্ন ইউপি নির্বাচনে তিনিই মনোনয়ন পাবেন বলে অধিকাংশ এলাকাবাসী আশা করছেন। সে বর্তমানে সুনামের সাথে ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছে। তিনি গরীবদের ভাতা সহ সরকারের সকল ধরণের সাহায্য সঠিকভাবে বন্টন করেছেন।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে এবং সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী সফিকুর রহমান চৌধুরী টুটুলকে পুনরায় আওয়ামী লীগের মনোয়ন পেতে সাবেক মন্ত্রী শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছেন ইউনিয়নবাসী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, একজন নিবেদিত প্রান, নিরহংকারী সাদামনের মানুষ হিসেবে, বাজার ও চায়ের দোকান থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থানে চেয়ারম্যানের সুনাম রয়েছে। মেফতার চৌধুরী, ফরিদ বিশ^াস সহ একাধিক ভোটাররা জানান, তিনি পুনরায় গোবরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এলাকায় মাদক, রাস্তা-ঘাট, স্কুল, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক উন্নয়ন হবে এবং সমাজের সকল অপরাধ মুক্ত থাকবে।

এ বিষয়ে গোবরা ইউপি চেয়ারম্যান সফিকুর রহমান চৌধুরী টুটুল জানান, দীর্ঘ পাঁচ বছর চেয়ারম্যান ছিলাম। আমার নেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিম ভাইয়ের আশির্বাদ নিয়ে তার নির্দেশিত পথে চলেছি। তার নির্দেশে এলাকার সকল কর্মকান্ড শতভাগ পালন করার চেষ্টা করেছি। নির্দেশিত পথে চলতে গিয়ে বেশ কিছু পুরস্কার অর্জন করেছি।

পরিবার পরিকল্পনা এবং মা ও শিশু বিষয়ে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। ইউনিয়নভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্পে যথাযথ অবদান রাখার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ ফোরাম কর্তৃক স্বর্নপদক পেয়েছি। করোনা মোকাবিলায় এবং ত্রান কাজে বিশেষ অবদান রাখার জন্য স্বর্নপদক পেয়েছি। শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য গোপালগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষানুরাগী নির্বাচিত হয়েছি। ১০৮০ টি গ্রাম আদালতের মধ্যে প্রথম হিসেবে গ্রাম আদালত আইন সংশোধনী বিষয়ে আয়োজিত সেমিনারে অংশ গ্রহণ করেছি। বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পরিচালিত ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ প্রশিক্ষণের জন্য ভারতের কিলা মডেল পরিদর্শন করতে সারাদেশের ছয়জন চেয়ারম্যানের মধ্যে একজন নির্বাচিত হয়েছি। ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়নের করনীয় বিষয়ক বিশেষ সেমিনারে একমাত্র চেয়ারম্যান হিসেবে প্রস্তাবনা, সমস্যা এবং সম্ভাবনা নিয়ে বক্তৃতা উপস্থাপন করেছি। এসব আমার রাজনৈতিক অভিভাবক গোপালগঞ্জের মাটি ও মানুষের নেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি মহোদয়ের অবদান।

তার সহযোগিতায় মানুষকে ভালোবাসতে পেরেছি। আমাকে দলীয় মনোনয়ন দেন তাহলে আমি পুনরায় ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়ে তার সহযোগিতায় ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে রুপান্তরিত করবো, ইনশাআল্লাহ।

 

 

এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button