1. admin@tungiparanews.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক
  2. akjoy20@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:০৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কোটালীপাড়ায় কলেজছাত্রীকে ইভটিজিং করায় ৪ বখাটের বিরুদ্ধে মামলা গোপালগঞ্জে বাক প্রতিবন্ধী জামিলকে রিক্সা দিলেন মামাস কাঠি ইউপি নির্বাচন : সম্ভাব্য প্রার্থী শেখ রোমানের পথসভা বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে গোপালগঞ্জ রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের নব নির্বাচিত কমিটির শ্রদ্ধা ডিডিজেএফ এর উদ্যোগে ‘হাওড় উৎসব’ অনুষ্ঠিত টুটুল চৌধুরীকে পুনরায় ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় ইউনিয়নবাসী গোহালায় নৌকা প্রতীক চান আওয়ামীলীগ নেতা শেখ ইকবাল গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় বিয়ে বাড়িতে হামলা : বাড়ি ঘর ভাংচুর, লুটপাট গোপালগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানের প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলন চিড়িয়াখানা খুলতে পারে ২৫ আগস্টের মধ্যে

আগস্ট ট্রাজেডি নিয়ে ‘তদন্ত কমিশন’ চায় আওয়ামী লীগ

Reporter Name
  • আপডেট : রবিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২১

১৫ আগস্টের খুনিদের বিচার শেষ হয়েছে। বিচারের রায়ও আংশিক কার্যকর হয়েছে। রায় পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করতে পলাতক আসামিদেরও খুঁজছে সরকার। এখন দাবি উঠেছে- ১৫ আগস্টের নেপথ্যর ঘটনা তুলে ধরা ও মূলহোতাদের খুঁজে বের করার। এজন্য তদন্ত কমিশন চায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগ নেতাদের দাবি, ১৯৭৫-এর পর বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানানোর যে ষড়যন্ত্র হয়েছে। খুনিদের যেভাবে পুনর্বাসন করা হয়েছে। রাজাকার ও স্বাধীনতাবিরোধীদের প্রণোদনা দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। এসব ঘটনার আদ্যোপান্ত বলে দিচ্ছে, ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড নিছক বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের হত্যাকাণ্ড নয়। বরং দেশের স্বাধীনতার চেতনা ও মূল্যবোধকেও হত্যার নীলনকশা। তদন্ত করলে দেখা যাবে- এর পেছনে একটা বিরাট গ্যাং ছিল।

খুনিরা বাংলাদেশ বেতারকে রেডিও বাংলাদেশ বানাল। জয় বাংলা স্লোগানকে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বানাল। জিয়াউর রহমান, স্বাধীনতাবিরোধী-মানবতাবিরোধী, যাদের রাজনীতি করার অধিকার সংবিধান দেয়নি। সেই সংবিধানের চারটি মূল স্তম্ভকে বাতিল করল। পাকিস্তানি ভাবধারায় সে (জিয়াউর রহমান) রাষ্ট্র পরিচালনা করল। তার মানে কী সে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে বাংলাদেশকেও হত্যা করার চেষ্টা করল।

এ বিষয়ে খোদ প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা নিজের অভিমত ব্যক্ত করেছেন। এবার আগস্টের প্রথম দিনে কৃষক লীগের এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনিদের আমরা বিচারের আওতায় এনেছি। তবে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ষড়যন্ত্রকারীদের উদঘাটন করা হয়নি। একদিন এটিও আবিষ্কার হবে।

এ নিয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু বলেন,বাংলাদেশকে পাকিস্তানের ভাবধারায় ফিরিয়ে নেয়ার দেশি ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শিকার বঙ্গবন্ধু। আগামী প্রজন্মের কাছে সেই ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচন করা প্রয়োজন। সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে নির্মম হত্যাকাণ্ডের নীলনকশা প্রস্তুতকারী ও নেপথ্য নির্দেশদাতাদের বের করতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কিংবা কমিশন গঠন করতে হবে। পাশাপাশি প্রকৃত অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

১৫ আগস্টে দৃশ্যমান যারা খুনি সেই দৃশ্যমান খুনিদেরকে আমরা চিনেছি মাত্র। কিন্তু অদৃশ্যমান যারা পেছন থেকে কলকাঠি নেড়েছে তাদেরকে আজ পর্যন্ত বের করা হয়নি। তাদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমদ বলেন, ‘১৫ আগস্ট শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়নি, স্বাধীনতার চেতনা ও মূল্যবোধকে হত্যা করা হয়েছে। বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানাতে চেয়েছিল। বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তান রেডিওতে ঘোষণা করল- ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, খুনিরা বাংলাদেশ বেতারকে রেডিও বাংলাদেশ বানাল। জয় বাংলা স্লোগানকে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বানাল। জিয়াউর রহমান, স্বাধীনতাবিরোধী-মানবতাবিরোধী, যাদের রাজনীতি করার অধিকার সংবিধান দেয়নি। সেই সংবিধানের চারটি মূল স্তম্ভকে বাতিল করল। পাকিস্তানি ভাবধারায় সে (জিয়াউর রহমান) রাষ্ট্র পরিচালনা করল। তার মানে কী সে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে বাংলাদেশকেও হত্যা করার চেষ্টা করল।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, একটা কমিশন গঠন করা হোক, সে কমিশন তদন্ত করুক। দেখবেন- এদের সবার নাম বের হয়ে আসবে; একটা বিরাট গ্যাং ছিল, যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা মানেই তো স্বাধীনতাকে হত্যা করা। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে তো আজও আমরা স্বাধীনতা পেতাম না।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ১৫ আগস্টে দৃশ্যমান যারা খুনি সেই দৃশ্যমান খুনিদেরকে আমরা চিনেছি মাত্র। কিন্তু অদৃশ্যমান যারা পেছন থেকে কলকাঠি নেড়েছে তাদেরকে আজ পর্যন্ত বের করা হয়নি। তাদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে।

৭৫ পরবর্তী বাংলাদেশে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ দিয়ে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বাঁচানোর প্রক্রিয়া করা হয়। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে শেখ হাসিনার সরকার সেটা বাতিল করে। তখন বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত সহকারী মহিতুল ইসলাম ধানমন্ডি থানায় এ নিয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। সেই মামলায় ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর ঢাকা জেলা ও দায়রাজজ কাজী গোলাম রসুল ১৫ জন সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

আপিলের রায়ে এই ১৫ জনের মধ্যে তিনজন খালাস পান। বাকি যে ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন উচ্চ আদালত; তারা হলেন- সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশীদ, মহিউদ্দিন আহমদ, এ কে বজলুল হুদা, এ কে এম মহিউদ্দিন, আবদুল মাজেদ, আজিজ পাশা, আব্দুর রশীদ, শরীফুল হক ডালিম, মোসলেম উদ্দিন, রাশেদ চৌধুরী ও এবিএমএইচ নূর চৌধুরী।

এদের মধ্যে প্রথম ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। তাদের একজন আজিজ পাশা পলাতক অবস্থায় দেশের বাইরে মারা গেছেন বলে খবরে জানা যায়। বাকি পাঁচজনের দণ্ড কার্যকরে তেমন উদ্যোগ চোখে পড়েনি। চোখে পড়েনি নেপথ্যের নায়কদেরও খুঁজে বের করার কোনো উদ্যোগ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর